রেজি নং -৬১০, বর্ষ-১১, সংখ্যা-৩৪।   Email: info@souhardobd.com,   মোবাইল: ০১৭৫৪-০৬৫৭০১

বৃহস্পতিবার , ডিসেম্বর ১২ ২০১৯
Home / ঐতিহ্য / দেশের উন্নয়নকে গতিশীল রাখতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

দেশের উন্নয়নকে গতিশীল রাখতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

রাজশাহী অফিস : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেছেন, বিশে^ বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুপরিকল্পিত ও সুচিন্তিত নীতি নির্ধারণের মধ্য দিয়ে দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এ সরকার দেশের সকল খাতই যেন উন্নয়ন পরিকল্পনায় যুক্ত হতে পারে সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। শুক্রবার (০৪ আগষ্ট) দুপুরে রাজশাহী নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে কবুতরের রোগ নির্ণয় ও রোগ প্রতিরোধ বিষয়ক প্রযুক্তির ওপর লিখিত পুস্তক এবং কবুতর পালন মডিউল এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, খাদ্য ও ডিম উৎপাদনে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি। মাছ চাষ ও সবজি উৎপাদনে বিশে^ আমাদের শক্ত অবস্থান তৈরি হয়েছে। শিক্ষা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিদ্যুতের উৎপাদনে আমরা এগিয়েছি। দেশের উন্নয়নকে গতিশীল রাখতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
কোন ধর্মেই জঙ্গিবাদের কোন স্থান নেই উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জঙ্গিবাদ নয় আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বনির্ভরতা অর্জন এবং ধর্মের প্রকৃত অনুশীলনই যুবকদের লক্ষ্য হওয়া উচিত। ছোটকে কাজকে ছোট করে দেখার আর কোন অবকাশ নেই।
সততা, নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও দেশপ্রেম নিয়ে কাজ করার আহবান জানিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ছোট স্বপ্ন, কল্পনা ও চিন্তা আমাদেরকে বড় স্বপ্নের দুযারে পৌঁছে দিবে।
রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি এন্ড এনিমেল সায়েন্সেস বিভাগের সভাপতি ড. এস.এম কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাবির উপ উপাচার্য প্রফেসর ড. আনন্দ কুমার সাহা, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষনা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. তালুকদার নুরুন্নাহার, কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম ডাইরেক্টর ড. কাজী এম কমর উদ্দীন, রাজশাহী বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উপপরিচালক ডা. মো: রেজাউল ইসলাম। রাবির ভেটেরিনারী এন্ড এনিমেল সায়েন্সেস বিভাগের প্রফেসর ড. মো: জালাল উদ্দিন সরদার মুখ্য আলোচক হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠান কবুতরের রোগ প্রতিরোধ নিয়ে লিখিত মডিউল ও বইয়ের মোড়ক উম্মোচন করেন অতিথিরা।
অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী প্রকল্প এলাকার ৩০টি শৌখিন ও ১৫টি প্রচলিত কবুতর খামারীদের মধ্য থেকে শ্রেষ্ঠ খামারীর হাতে পুরস্কার তুলে দেন। গবেষনা প্রকল্পের প্রায় ২০ জন খামারী তাদের বিভিন্ন জাতের কবুতর নিয়ে কবুতর প্রদর্শনীতে অংশ নেন। এর আগে বেলা ১১টার দিকে কবুতর প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন।